কিতাবঃ ভোট কাকে দিবেন ও কেন দিবেন?
কিতাবঃ ভোট কাকে দিবেন ও কেন দিবেন?
এই সময়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক একটি বই -
কিতাবঃ ভোট কাকে দিবেন ও কেন দিবেন?লেখক- শফিকুল ইসলাম তাজেরী
সেবা- সম্পূর্ণ ফ্রি
বইটি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডাউনলোড করতে নিচে ক্লিক করুণ-
ইসলামে ভোট ও নির্বাচনের বিধান কি?
ভোট কাকে দেব ও কেন দেব?
জুমুআর বয়ান-৩১, ভোট ও নির্বাচন, সিরিজ- ০১
শফিকুল
ইসলাম তাজেরী
কামিল (হাদিস)
(এম.এ) Bmjvgx wek¦we`¨vjq, Kzwóqv
খতীব, আন্ডারচর শান্তিরহাট বাজার কেন্দ্রীয় জামে
মাসজিদ
ইমাম, রামানন্দি জামে মাসজিদ, ভূইয়া বাড়ী, ওদারহাট, চরমটুয়া,
সদর।
হোমিও কনসালটেন্ট
ডি.এইচ.এম.এস,এন.এইচ.এম.সি,বি.এইচ.বি
(ঢাকা)
মোবাইলঃ ০১৮৩১-৭৬৬ ১১২
যারা
কোরআন
বুঝে
সে
অনুঝায়ী বাস্তব জীবনে
আমল
করতে চায়
এবং
সত্যকে সত্যের
মাপকাঠি
দিয়ে মেপে নেয়
শুধু
তাদের জন্য...।
অনলাইনে
আমরাও আছি আপনার পাশে-
ইমেইলঃ shafiqulislam.tazeri@gmail.com
http://www.facebook.com/shafiqul.islam93
web: www.shafiqultutorial.blogspot.com
www.alquranerallo.blogspot.com
Contents
নাবীগণের দা‘ওয়াত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত:
আর ভিন্নধর্মীরা দাওয়াত দিত তাগুতের নিজেদের বানানো আদর্শের:
ভোটাধিকার প্রয়োগ বা ভোট দেব কাকে?
بسم الله الرحمن الرحيم
نحمده ونصل على رسوله الكريك , امابعد
ভোট কি?
শাব্দিক অর্থঃ
ল্যাটিন "vovere" মানে "to vow", মানে
"ইচ্ছে করা" .. এই থেকে থেকে হলো "votum", মানে "ইচ্ছে" সেখান থেকে মধ্যযুগীয় ইংরেজি তে
"vote"নির্বাচন
করা, কথাটা চালু হয়। যার অর্থ দাঁড়ায়- Opinion- মত, Pronouncement-মতপ্রদান। আরবিতে হল صوت , تصويت
, الاختيار
ভোট হল, কোনো সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা
প্রতিনিধি নির্বাচনের উদ্দেশ্যে কোনো সভা, সমিতি বা নির্বাচনী এলাকায়, মতামত প্রকাশের একটি মাধ্যম বা পদ্ধতি।
খেলাফতির আমানত মানুষের উপর
সম্মানিত উপস্থিতি, মহান
আল্লাহ্ তায়ালা সূরা বাকারার ৩০ নং আয়াতে বলেন;
وَإِذۡ قَالَ رَبُّكَ لِلۡمَلَـٰٓٮِٕكَةِ إِنِّى جَاعِلٌ۬
فِى ٱلۡأَرۡضِ خَلِيفَةً۬ۖ
যখন তোমার রব ফেরেশতাদের
উদ্দেশ্যে বললেন যে, আমি পৃথীবিতে আমার প্রতিনিধি পাঠাবো।
খলীফা তথা প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব নিয়ে আমাদের এ পৃথিবীতে আসা। আর এই
দায়িত্ব পালনই আমাদের কাছে আল্লাহ্র আমানত। এই আমানত সম্পর্কে আল্লাহ্ শানহু কি
বলছেন-
إِنَّا عَرَضْنَا ٱلْأَمَانَةَ عَلَى ٱلسَّمَٰوَٰتِ
وَٱلْأَرْضِ وَٱلْجِبَالِ فَأَبَيْنَ أَن يَحْمِلْنَهَا وَأَشْفَقْنَ مِنْهَا وَحَمَلَهَا
ٱلْإِنسَٰنُ ۖ إِنَّهُ ۥ كَانَ ظَلُومًا جَهُولًا
আমি আকাশ পৃথিবী ও পর্বতমালার সামনে এই আমানত পেশ
করেছিলাম, অতঃপর
তারা একে বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হল; কিন্তু মানুষ তা বহণ করল। নিশ্চয় সে
জালেম-অজ্ঞ। আল-আহযাব- ৭২
AvgvbZ Kx
evqhvex wj‡L‡Qb, m¤¢eZ ÔAvgvbZÕ A_© GLv‡b we‡eK I
kwiq‡Zi `vwqZ¡fvi|
nRiZ
Be‡b AveŸvm e‡j‡Qb, GLv‡b ÔAvgvbZÕ A_© AvbyMZ¨ Ges IB diR
দায়িত্বসমূহ, †h¸‡jvi বাস্তবায়ন আল্লাহ্ Zuvi ev›`vM‡Yi Rb¨ K‡i‡Qb AZ¨vek¨K|
AvKvk-c„w_ex-wMwi‡kªYx‡K D‡Ïk¨ K‡i আল্লাহ্ e‡jwQ‡jb, MÖnY K‡iv G ¸i`vwqZ¡| hw` G `vwqZ¡ বাস্তবায়নে m¶g nI Z‡e cv‡e DËg cÖwZ`vb,
Avi m¶g bv n‡j cv‡e শাস্তি।
nRiZ
Be‡b gvmD` e‡j‡Qb, AvgvbZ A_© bvgvR cÖwZôv Kiv, RvKvZ cÖ`vb
Kiv, igRv‡bi †ivRv cvjb Kiv, Avjvn&i M„‡n nR mgvav Kiv, mZ¨ K_v ejv Ges IR‡b Kg bv †`Iqv| G mKj `vwqZ¡ cvjb e¨wZ‡i‡K AvgvbZ`vixi `vwe Kiv Ab¨vq|
জালেম ও মূর্খ কারা?
GLb GB AvgvbZ i¶Yv‡e¶Y Zvi AZ¨vek¨K
`vwq‡Z¡i অন্তর্ভূক্ত| myZivs G ¸i`vwqZ¡ cvj‡b †h hZoeevb n‡e, †m mdj n‡e c„w_ex I cieZ©x c„w_ex Dfq ¯’v‡b| Gg‡Zv e¨vL¨vi
†cÖw¶‡Z evqhvex Ô†m‡Zv AwZkq Rv‡jg, AwZkq AÁÕ K_vwUi
gg©v_© K‡i‡Qb
Gfv‡e
gvbeRvwZ K…Z A½xKvi পূiY K‡iwb| Avgvb‡Zi `vwei cÖwZ †`qwb
h_vh_ g‡bv‡hvM| myZivs †m mxgvjsNbKvix I AÁ| Aek¨ ZvB e‡j GK_v
ejv hv‡e bv †h, mKj gvbyl GiKg Ac¯^fv‡ei| A½xKvi ciY Ges Avgvb‡Zi
`vwe ev¯evq‡b bex-imyj-AvIwjqv-cyY¨ev‡biv mZZ mRvM|
নাবীগণের দা‘ওয়াত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত:
(১) আল্লাহ তা‘আলার হক আদায় করা;
(২) বান্দার হক আদায় করা।
আর ভিন্নধর্মীরা দাওয়াত দিত তাগুতের নিজেদের বানানো আদর্শের:
বাকারাহ: ১৩৫ আয়াতে
আল্লাহ্ তায়ালা বলছেন,
وَقَالُوْا كُوْنُوْا هُوْدًا اَوْ نَصٰرٰي تَهْتَدُوْا ؕ قُلْ بَلْ مِلَّةَ اِبْرٰهٖمَ حَنِيْفًا ؕ وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ
আর তারা বলে, ‘তোমরা ইয়াহূদী কিংবা নাসারা হয়ে যাও, হিদায়াত পেয়ে যাবে’। বল, ‘বরং আমরা ইবরাহীমের মিল্লাতের অনুসরণ করি, যে একনিষ্ঠ ছিল এবং যে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না’।
একচক্ষু বিশিষ্ট আবদুল্লাহ বিন সুরিয়া নামক একজন ইয়াহুদী
রাসূলুল্লাহ সা কে বলেছিলঃ আমরাই সঠিক পথে রয়েছি। তোমরা আমাদের অনুসরণ কর, তবে
সু-পথ প্রাপ্ত হবে। তখন আল্লাহ্ এই আয়াত নাজিল করেন।
আল্লাহ্ তায়ালা জানিয়ে দিলেন যে, মুহাম্মাদ সা. ও তাঁর
অনুসারীরাইতো ইব্রাহীম আ. এর সুদৃঢ় ধর্মের অনুসারী। ইব্রাহীম আ. তো ছিলেন সঠিক
ধর্মের উপর সু-প্রতিষ্ঠিত। তিনি আল্লাহ্র অকৃত্তিম প্রেমিক, বায়তুল্লাহ শরীফের
মনঃসংযোগকারী, ক্ষমতা থাকার সময় হজ্জকে অবশ্য কর্তব্যরুপে মান্যকারী, আল্লাহ্র
আনুগত্য স্বীকারকারী একনিষ্ঠ বান্দা।
ভোটাধিকার
প্রয়োগ বা ভোট দেব কাকে?
সম্মানিত উপস্থিতি এই আমানতি
দায়ত্ব যারা পালন করবেন তাদেরকে সুযোগ করে দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আর এই সুযোগ
যেহেতু ভোটের মাধ্যমে করা হয়, সেহেতু এই ক্ষেত্রে ইসলাম কি বলে তা আমাদেরকে জানতে
ও মানতে হবে। মহান আল্লাহশানহু বলেন:
إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَىٰ أَهْلِهَا وَإِذَا حَكَمْتُمْ بَيْنَ النَّاسِ أَنْ تَحْكُمُوا بِالْعَدْلِ ۚ إِنَّ اللَّهَ نِعِمَّا يَعِظُكُمْ بِهِ ۗ إِنَّ اللَّهَ كَانَ سَمِيعًا بَصِيرًا
নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে
নির্দেশ দেন যে, তোমরা
(ভোটের আমানত সহ) যাবতীয় আমানতসমূহ
তার যথার্থ উপযুক্ত লোকদের নিকট অর্পণ কর। আর লোকদের মধ্যে যখন কোন বিষয়ে
ফয়সালা করবে তখন ইনসাফের সাথে তা করবে। আল্লাহ তোমাদের সদুপদেশ দান করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব শোনেন এবং দেখেন।১
আমরা আল্লাহ্র কাছ থেকে স্বিকার করে এসেছি যে, তাকে মানবো এবং তার সকল
হুকুম পালন করবো। এটা ছিল আল্লাহ্র সাথে আমাদের কৃত ওয়াদা। কিন্তু আমরা কি তার
সাথে ওয়াদা রাখতে পেরেছি?
আল্লাহরবাণী- اِنَّ اْلمُنَافِقِيْنَ لَكَاذِبُوْنَ -নিশ্চয় মুনাফিকরাই মিথ্যাবাদী.২
হাদিস শরীফে রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেন-
ﺁﻳَﺔُ ﺍﻟْﻤُﻨَﺎﻓِﻖِ ﺛَﻼَﺛَﺔً : ﺇِﺫَﺍ ﺣَﺪَّﺙَ ﻛَﺬَﺏَ، ﻭَﺇِﺫَﺍ ﻭَﻋَﺪَ ﺃَﺧْﻠَﻒَ ، ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺃُﻭْﺗُﻤِﻦَ ﺧَﺎﻥَ
وَفِيْ رِوَايَةٍ وَاِنْ صَلَّى وَصَامَ وَزَعَمَ اَنَّه مُسْلِمٌ .
মুনাফেকের আলামত তিনটি:
১) কথায়
কথায় মিথ্যা বলে , ২) ওয়াদা করে
ভঙ্গ করে, এবং
৩) আমানত
রাখলে তার খেয়ানত করে ।
(এই কাজগুলো করার পর) যদিও সে
নামাজ পড়ে, রোযা রাখে, এবং ধারণা করে যে, সে মুসলমান। ( তবুও সে মুনাফিকদের
দল্ভুক্ত হবে।)৩
যে ভোটে শিরক করারাআ সামিল
v
রায়
দেয়া বা সাক্ষ্য প্রদান করা
আপনি কাকে ভোট দেবেন? খারাপ, চরিত্রহীন, পাপী মদখোর,
নায়ক-নায়িকা, যাত্রপালা থেকে লোক নির্বাচিত করতে চান? নিশ্চই না। তাহলে এ কথা বলা
যে,
“আমার ভোট আমি দেব ,যাকে খুশি
তাকে দেবো।“ এইভাবে না বলে এই ভাবে বলা উচিৎ-
“আমার ভোট আমি দেব, সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভিরু
ব্যক্তি দেখে দেবো।“
সম্মানিত উপস্থিতি, আমরা যাকে
নির্বাচন করব বা যার পক্ষ্যে আমাদের সাক্ষ্যপ্রদান করবো, তার কয়েকটি বিষয় আমাদেরকে
দেখে নিতে হবে। আর তা হচ্ছে তার সততা,নিষ্ঠা, আল্লাহভিরু এবং তার যোগ্যতা। যেমন
যোগ্য ব্যক্তি প্রয়োজন তেমনি আবার সত্য ও ন্যায় আদর্শবান ব্যক্তিও প্রয়োজন।
কারণ- নেতা দু ধরণের হয়-
১) امامة صغرى - ছোট নেতা আর
২) امامة كبرى -বড় নেতা
মাসজিদের ইমাম হলেন ছোট ইমাম বা
নেতা। যিনি শুধু মাসজিদের দায়িত্ব নিয়ে আছেন। তাকে নিয়োগ বা নির্বাচন করতে তার
আমানতদারীতা, সততা, পর্দাপুসিতা, অন্যান্য যোগ্যতা আছে কিনা তা তলিয়ে দেখি। কিন্তু
আমরা বড় নেতা দেশের একজন অভিবাবক, পরিচালিক নির্বাচন করবো তার ব্যাপারে একটু
চিন্তাও করিনা। অথচ মহান আল্লাহ্ তায়ালা বলেন-
مَنۡ يَّشۡفَعۡ شَفَاعَةً حَسَنَةً يَّكُنۡ لَّهٗ نَصِيۡبٌ مِّنۡهَاۚ
وَمَنۡ يَّشۡفَعۡ شَفَاعَةً سَيِّئَةً يَّكُنۡ لَّهٗ كِفۡلٌ مِّنۡهَاؕ وَكَانَ اللّٰهُ
عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ مُّقِيۡتًا
যে
ব্যক্তি কল্যাণ ও সৎকাজের সুপারিশ করবে, সে তা থেকে অংশ পাবে এবং যে ব্যক্তি
অকল্যাণ ও অসৎকাজের সুপারিশ করবে, সে তা থেকে অংশ পাবে। আর আল্লাহ সব জিনিসের প্রতি নজর
রাখেন।৪ এ ব্যাপারে রাসূল সা.বলেন;
أَدَّآلُّ عَلَى الْخَيْرِ
كَفَاعِلِهِ وَالدَّالُّ عّلى شَرِّ كَفَاعِلِهِ
যে ব্যক্তি
কোন ভালো কাজের সমর্থন করবে, সে ঐ
ব্যক্তির ভালো কাজের পুণ্য পাবে। আর যে খারাপ কাজে সুপারিশ করবে সে তারও খারাপ
কাজের অংশ পাবে। ভোল-মন্দ কর্মের ফল যদি আমাদের ঘাড়ে আসে তাহলে আমাদের উচিৎ সৎ,
যোগ্য এবং আল্লাহভিরু ব্যক্তিকে সমর্থন করা।
আর এই জন্যই মহান আল্লাহ্ তায়ালা বলেন-
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ ۖ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى
الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
সৎকর্ম
ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের
সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর শাস্তিদাতা।৬
v আল্লাহভিরু মানুষকে নির্বাচন করলে কি হবে?
সূরা হজ্ব: ৪১ আয়াতে আল্লাহ্ বলেন,
اَلَّذِیْنَ اِنْ مَّكَّنّٰهُمْ فِی الْاَرْضِ اَقَامُوا الصَّلٰوةَ وَ اٰتَوُا الزَّكٰوةَ وَ اَمَرُوْا بِالْمَعْرُوْفِ وَ نَهوْا عَنِ الْمُنْكَرِ
“আমি এদের পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা দান করলে এরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত ব্যবস্থা
চালু করবে, সৎ কাজের
আদেশ করবে, অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে।
® সে যত নেক কাজ
করবে
® সে মাসজিদ
মাদরাসা তৈরী করবে
® সে জনগনের
কল্যাণ করবে
® রাষ্ট্রের
কল্যাণ করবে
® কুরআনের আইন
কায়েম করবে
® জনগনের
অধিকার নিশ্চিত করবে।
® জনগনের কাছে
দেয়া ওয়াদা পূরণ করবে।
® ইসলামের
বিধি-বিধান চালু করবে।
এই লোক যত ভালো কাজ করবে তার সাথে আপনিও সাওয়াব পেতে থাকবেন।
v
যদি আপনি ভুল করেন তাহলে কি হবে?
আর যদি আপনার ভোটে কোন খারাপ, চরিত্রহীন, পাপী মদখোর, নায়ক-নায়িকা,
যাত্রপালা থেকে লোক নির্বাচিত হয়। তার ফলে সমাজে একভয়াবহতা দেখা দেবে। সূরা নামলের ৩৪ নম্বর
আয়াতে-
اِنَّ الْمُلُوْكَ اِذَا دَخَلُوْا قَرْیَةً اَفْسَدُوْهَا وَ جَعَلُوْۤا اَعِزَّةَ اَهْلِهَاۤ اَذِلَّةً.
® এরা যখন কোনো জনপদের কর্তৃত্ব পাবে তখন তা বিপর্যস্ত করে
® সেখানকার
মর্যাদাবান-লোকদের অপদস্থ করে।
® আপনার
ভোটের অধিকার হারাবেন
® দেশে
নাস্তিক্যতা বেড়ে যাবে।
® সিনেমা হল
বেড়ে যাবে
® গানের প্রসার
ঘটবে/ মাহফিলগুলোতে বাধাপ্রদান করা হবে।
® সুদি ব্যাংক
বেড়ে যাবে/ ব্যংকের টাকা উধাও হয়ে যাবে।
® মদের
আড্ডাখানা বেড়ে যাবে
® সমাজে অসংখ্য
যাত্রা প্যান্ডেল বেড়ে যাবে।
® হাজারও খারাপ
কাজ শুরু হবে।
® রাষ্ট্রের
সপম্পদ আত্মসাৎ করবে
® ট্যান্ডারবাজি
করবে
® বাজেটে
কারচুপি করবে/ বিদেশে অর্থ পাচার হবে।
® অশ্লিলতায়
গোটা দেশ ছেয়ে যাবে।
আর তার এই সকল গুনাহের অংশিদারিত্ব আপনার হবে। কারণ সে আপনার সহযোগীতায়
ক্ষমতায় গিয়ে নেতা হয়ে এমন কাজ করেছে বা সমর্থন দিয়েছে।
v
এমন কাজে যার সঙ্গে সঙ্গি ছিলেন তার সঙ্গে হাশরে উঠতে
হবে;
আর এমন নেতার সঙ্গেই আমাদের কে আবার হাশরের দিন উঠতে হবে।
রাসূল সা. এরশাদ করেন: " ﻣﻦ ﺗﺸﺒﻪ ﺑﻘﻮﻡ ﻓﻬﻮ ﻣﻨﻬﻢ " অর্থাৎ যে যে জাতির অনুকরণ করে সে তাদেরই একজন। যেমন
আল্লাহ্ বলেন-
يَوْمَ نَدْعُو كُلَّ أُنَاسٍ بِإِمَامِهِمْ ۖ فَمَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَأُولَٰئِكَ يَقْرَءُونَ كِتَابَهُمْ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلًا
স্মরণ কর, যেদিন আমি প্রত্যেক দলকে তাদের
নেতাসহ আহবান করব, অতঃপর
যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং
তাদের প্রতি সামান্য পরিমাণও জুলুম হবে না।৫
আজকের নেতারা তাদের কর্মীদেরকে জাহান্নামি বানায়-
কারণ তারা তাদের নেতা-নেতৃর আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে। জাহেলি যুগের ন্যায়
অন্যায় পথে তাদের ডেকে গোমরাহ করে। এমন কাজ করার কারণে তাদের কি অবস্থা হবে শুনুন-
হারেষ আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
منْ دَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ فَهُوَ
مِنْ جُثَا جَهَنَّمَ
قَالُوا يَا رَسُولَ
اللهِ وَإِنْ صَامَ وَصَلَّى؟ قَالَ وَإِنْ صَامَ وَصَلَّى وَزَعَمَ
أَنَّهُ مُسْلِمٌ فَادْعُوا الْمُسْلِمِينَ بِمَا سَمَّاهُمْ الْمُسْلِمِينَ الْمُؤْمِنِينَ عِبَادَ
اللهِ عَزَّ وَجَلّ
যে ব্যক্তি জাহেলী যুগের ডাক
ডাকে, সে আসলে জাহান্নামীদের দলভুক্ত।” লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যদিও সে নামায
পড়ে ও সিয়াম রাখে?’ তিনি বললেন, “যদিও সে নামায পড়ে ও সিয়াম রাখে। সুতরাং হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা
আল্লাহর (নামে) তাকে ডাকো, যিনি তোমাদের নাম দিয়েছেন ‘মুসলিম, মু’মিন’।
(আহমাদ ১৭৮০০, তিরমিযী ২৮৬৩,
সহীহুল জামে’ ১৭২৮ নং)
অন্যায় কাজে সহযোগীতা করার পরিণতি কি হবে?
وَبَرَزُوْا لِلّٰهِ
جَمِيْعًا فَقَالَ الضُّعَفٰٓؤُا لِلَّذِيْنَ اسْتَكْبَرُوْۤا اِنَّا كُنَّا لَكُمْ
تَبَعًا فَهَلْ اَنْتُمْ مُّغْنُوْنَ عَنَّا مِنْ عَذَابِ اللّٰهِ مِنْ شَيْءٍ
ؕ قَالُوْا لَوْ هَدٰىنَا اللّٰهُ لَهَدَيْنٰكُمْ
ؕ سَوَآءٌ عَلَيْنَاۤ اَجَزِعْنَاۤ اَمْ صَبَرْنَا
مَا لَنَا مِنْ مَّحِيْصٍ
আর তারা সবাই আল্লাহর সামনে হাজির হবে, অতঃপর যারা অহঙ্কার করেছে দুর্বলরা তাদেরকে বলবে, ‘নিশ্চয়
আমরা তোমাদের অনুসারী ছিলাম। সুতরাং তোমরা কি আল্লাহর আযাবের মোকাবেলায় আমাদের কোন
উপকারে আসবে? তারা বলবে, ‘যদি আল্লাহ
আমাদের হিদায়াত করতেন, তাহলে আমরাও তোমাদের হিদায়াত করতাম,
এখন আমরা অস্থির হই কিংবা সবর করি, উভয়
অবস্থাই আমাদের জন্য সমান, আমাদের পালানোর কোন জায়গা নেই। ইব্রাহীম- ২১
يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمْ
فِى ٱلنَّارِ يَقُولُونَ يَٰلَيْتَنَآ أَطَعْنَا ٱللَّهَ وَأَطَعْنَا ٱلرَّسُولَا۠
যেদিন অগ্নিতে তাদের মুখমন্ডল ওলট পালট করা হবে; সেদিন তারা বলবে, হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য
করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম। আল-আহযাব-৬৬
وَقَالُوا رَبَّنَآ
إِنَّآ أَطَعْنَا سَادَتَنَا وَكُبَرَآءَنَا فَأَضَلُّونَا ٱلسَّبِيلَا۠
তারা আরও বলবে, হে আমাদের
পালনকর্তা, আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের কথা মেনেছিলাম, অতঃপর তারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল। আল-আহযাব-৬৭
হযরত
লূত আঃ এর স্ত্রী সম্পর্কে কুরআনের ভাষ্য
খারাপ
মানুষদেরকে সাহায্য করার কারণে লূত আঃ – এর স্ত্রী হওয়া সত্বেও মহান আল্লাহ্ তাকে
ক্ষমা করেন নি। এর প্রমাণ দেখুন- মহান যখন লূত আঃ –এর জাতিকে ধ্বংস করবেন তখন মহান
আল্লাহ্ তাকে লক্ষ করে বলেন-
فَأَنجَيۡنَـٰهُ وَأَهۡلَهُ ۥۤ
إِلَّا ٱمۡرَأَتَهُ ۥ كَانَتۡ مِنَ ٱلۡغَـٰبِرِينَ
অতঃপর আমি তাকে ও তাঁর পরিবার
পরিজনকে বাঁচিয়ে দিলাম, কিন্তু তার স্ত্রী। সে তাদের মধ্যেই রয়ে গেল, যারা রয়ে গিয়েছিল।
وَأَمۡطَرۡنَا عَلَيۡهِم مَّطَرً۬اۖ فَٱنظُرۡ ڪَيۡفَ كَانَ عَـٰقِبَةُ ٱلۡمُجۡرِمِينَ
আমি তাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ
করলাম। অতএব, দেখ গোনাহগারদের পরিণতি কেমন হয়েছে।৭
দেখুন,
আল্লাহ্ যখন নবীকে তার
আহাল,পরিবারবর্গদেরকে নিয়ে স-স্থান ত্যাগ করতে বললেন তখন এও বললেন যে, যেন তিনি
তার স্ত্রীকে সঙ্গে করে না নেয়। এর কারণ হল- আল্লাহ্ বলেন " তার স্ত্রী রেহাই পাবে না। কারন হিসেবে আল্লাহ
এটুকু বললেন যে , وكانت من الغابرين খাস
বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায়, " কারণ সে ছিল খারাপদের অন্তর্ভুক্ত"
আবার রাসুলের
একটা হাদীসে আছে,
المرء ما من احب
অর্থাৎ যার সাথে
যার খাই-খাতির তার সাথে তার হাসর- নাশর।
এখন বলুন বন্ধুরা, নামাজ রোজা পড়েও যদি চাক্ষুষ এসকল
বদমাইস ধর্মদুশমন আর মূর্তিপূজকদের সমীহকারীদের কর্মকাণ্ডকে কেউ সমর্থন বা অনুসমর্থন
দেয়, মুসলমানদের পবিত্র আমানত তছনছকারী ও সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের
হাসিমুখে মেনে নেয়, তাহলে উল্লিখিত আয়াত এবং হাদীস অনুসারে
তাদের নামাজ এবং তাদের রোজা কী উপকারে আসবে.....?
ভোট পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তি
কে?
জাওয়াহিরুল
ফিকহ কিতাবে মুফতি মুহাম্মদ শফি রহ. এর ভোট বিষয়ে ফতোয়া পাওয়া যায়। সেখানে তিনি
বলেন, যে
প্রার্থীকে আপনি ভোট দিচ্ছেন শরিয়তের দৃষ্টিতে আপনি তার পক্ষে এ ব্যাপারে সাক্ষ্য
দিচ্ছেন যে, এ
ব্যক্তি এলেম, আমল
ও সততায় কাজটির যোগ্য এবং অন্যান্য প্রার্থীদের থেকে ভালো। শরিয়তের এ
দৃষ্টিভঙ্গিটির প্রতি লক্ষ করলে নিচের ফলাফলগুলি উঠে আসবে:
এক.
আপনার ভোট এবং সাক্ষ্যর মাধ্যমে যে নেতা সংসদে যাবে সে তার এ দায়িত্বপ্রাপ্ত
অবস্থায় যত ভালো বা মন্দ কাজ করবে তার দায়ভার আপনার ওপরও বর্তাবে।
দুই. এ
বিষয়টিও বিশেষভাবে লক্ষ রাখতে হবে, তার ব্যক্তিগত কাজকর্মেও যদি কোনো
ভুল করে তাহলে তার প্রভাবও সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, সওয়াব ও শাস্তিও সীমাবদ্ধ হয়ে যায়; কিন্তু তার
জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় কাজের ক্ষেত্রে পুরো জাতি ও রাষ্ট্র প্রভাবিত হয়, তার
সামান্য ত্রুটিও মাঝেমধ্যে পুরো জাতির জন্য ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য এর
সওয়াব ও শাস্তিও অনেক বড় হয়ে থাকা।
তিন.
সত্য সাক্ষ্য গোপন করা কুরআনের বক্তব্যমতে হারাম। তাই আপনার এলাকায় যদি কোনো সঠিক
দৃষ্টিভঙ্গির সৎ প্রার্থী দাঁড়ায় তাহলে তাকে ভোট না দেয়া কবিরা গুনাহের কারণ হবে।
চার.
যে প্রার্থী ইসলামি আদর্শ বিরোধী কোনো দৃষ্টিভঙ্গি লালন করে তাকে ভোট দেয়া মিথ্যা
সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে;
যা কবিরা গুনাহ।
পাঁচ.
টাকার বিনিময়ে ভোট বিক্রি করা খুবই জঘন্যরকমের সুদ এবং এটি টাকার বিনিময়ে ইসলাম ও
রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতারণার নামান্তর।
আরেকজনের
রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়ে দিতে নিজের দীনকে কুরবানি করা; সেটা যত
টাকার বিনিময়েই হোক বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না।
রাসুলুল্লাহ
সা. বলেছেন, ওই
ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত যে অন্যের জীবন সাজিয়ে দিতে নিজের দ্বীনকে বিক্রি
করে দেয়।
সুতরাং
প্রতিটি ভোট ও নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে আল্লাহ আমাদের ইনসাফের দৃষ্টিতে সত্য ও
সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার তৌফিক দিন।৭ আমীন
(চলবে ) আরো দেখতে হবে ইসলাহী খুতুবাত ১/৭১-৮৩
পৃষ্ঠা
|
আমাদেরকে যা শিক্ষা নিতে হবে |
১। সর্ব পর্যায়ে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কোরআনে বর্ণিত নেতার
কাজ প্রতিষ্ঠার যোগ্যতাসম্পন্ন লোকদের হাতে নেতৃত্ব দিতে হবে।
২। যৌবনের সকল চেষ্টা সামর্থ আল্লাহর
সন্তুষ্টি অর্জনের পথে ব্যয় করতে হবে।
৩। সামাজিক বা রাষ্ট্রীয়ভাবে নামায
কায়েম করবে এমন ব্যক্তিকে ভোট দিতে হবে।
৪। যারা জাতির সাথে ওয়াদা করলে
তা পূরণ করে, তাদেরকে সমর্থন দিতে হবে।
৫। যে বা যারা ইসলামের সার্থে
কাজ করে তাকে নির্বাচিত করতে হবে।
৬। যাকে নির্বাচিত করলে
জাহান্নাম নয় জান্নাতে যাওয়ার উসিলা হবে, তাকে ভোট দিতে হবে।
৭। সর্বোপরি মহান আল্লাহ্ আমাকে
যে আমানত দিয়েছেন তার যথাযথ ব্যাবহার করার তাওফিক দান করুন।
১১। পরিশেষে মহান আল্লাহ্ যেন
তার ঘাঁটি বান্দা হিসেবে কবুল । আমীন
خطبة الاول
إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِینُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ونَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ
أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَیِّئَاتِ أَعْمَالِنَا مَنْ یَهْدِهِ اللَّهُ فَلا مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ یُضْلِلْ فَلا هَادِيَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِیكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَیْهِ وَعَلَى آلِه وَأَصْحَابِهِ وَسَلَّمَ.
ياايهاللذين
امنوااتقوا الله حق تقاته ولاتموتن الاوانتم مسلمون- یَا أَیُّهَا النَّاسُ
اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا
زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالا كَثِیراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ
الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَیْكُمْ رَقِیبًا. یَا أَیُّهَا الَّذِینَ آَمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ
وَقُولُوا قَوْلا سَدِیدًا. یُصْلِحْ
لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَیَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ یُطِعِ اللَّهَ
وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزاً عَظِیمًا-
امابعد فيا ايهالناس!
إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَىٰ أَهْلِهَا وَإِذَا حَكَمْتُمْ بَيْنَ النَّاسِ أَنْ تَحْكُمُوا بِالْعَدْلِ ۚ إِنَّ اللَّهَ نِعِمَّا يَعِظُكُمْ بِهِ ۗ إِنَّ اللَّهَ كَانَ سَمِيعًا بَصِيرًا
قَالَ
النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ; ﺁﻳَﺔُ ﺍﻟْﻤُﻨَﺎﻓِﻖِ ﺛَﻼَﺛَﺔً : ﺇِﺫَﺍ ﺣَﺪَّﺙَ ﻛَﺬَﺏَ، ﻭَﺇِﺫَﺍ ﻭَﻋَﺪَ ﺃَﺧْﻠَﻒَ ، ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺃُﻭْﺗُﻤِﻦَ ﺧَﺎﻥَ
وَفِيْ رِوَايَةٍ وَاِنْ صَلَّى وَصَامَ وَزَعَمَ اَنَّه مُسْلِمٌ .
وقال ايضا: أَدَّآلُّ عَلَى الْخَيْرِ كَفَاعِلِهِ وَالدَّالُّ عّلى شَرِّ كَفَاعِلِهِ
ايهاالاخوان : قال الله سبحانه وتعلى -
مَنۡ يَّشۡفَعۡ شَفَاعَةً حَسَنَةً يَّكُنۡ لَّهٗ نَصِيۡبٌ مِّنۡهَاۚ
وَمَنۡ يَّشۡفَعۡ شَفَاعَةً سَيِّئَةً يَّكُنۡ لَّهٗ كِفۡلٌ مِّنۡهَاؕ وَكَانَ اللّٰهُ
عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ مُّقِيۡتًا﴾
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ ۖ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى
الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
فاعوذبالله
من الشيطان الرجيم
يَوْمَ نَدْعُو كُلَّ أُنَاسٍ بِإِمَامِهِمْ ۖ فَمَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَأُولَٰئِكَ يَقْرَءُونَ كِتَابَهُمْ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلًا
بارك لله
لنا ولكم في القراٰن ، ونفعنا وايَّاكم بما فيه من الايات والبيانِ، وغَفَرَلنا
واياكم ماسَلَفَنَا من الاٰثامِ والصيان، انه كثيرُالْغُفْرَان
জুমার সানী খুৎবা
إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِینُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِیكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ.
أَمَّا بَعْدُ، فَإِنَّ خَیْرَ الْحَدِیثِ كِتَابُ اللَّهِ وَخَیْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وكُلُّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ، وكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلالَة .
قَالَ اللهُ تَعَالىَ: إِنَّ اللَّه وَمَلائِكَتَه یُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ یَا أَیُّهَا الَّذِینَ آَمَنُوا صَلُّوا عَلَیْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِیمًا. اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍكَمَا صَلَّیْتَ عَلَى إِبْراهِیمَ وَعَلَى آلِ إِبْراَهِیمَ إِنَّكَ حَمِیدٌ مَجِیدٌ- اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبراَهِیمَ وَعَلَى آلِ إِبراَهِیمَ إِنَّكَ حَمِیدٌ مَجِیدٌ .
وَارْضَ اللّهُمَّ عَنِ الصَّحَابَةِ أَجْمَعِیْنَ، خًصُوصاً مِنْهُمُ الْخُلَفَاءِ
الراّشِدِیْنَ، أَبِيْ بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ وَعَلِيٍّ، وَعَنِ التَّابِعِیْنَ، وَمَنْ تَبِعَهُمْ إِلَى یَوْمِ الدِّیْنِ،
اللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْیَتِكَ مَا یَحُولُ بَیْنَنَا وَبَیْنَ مَعَاصِیكَ,وَمِنْ طَاعَتِكَ
مَا
تُبَلِّغُنَا
بِهِ
جَنَّتَكَ,
وَمِنْ
الْیَقِینِ
مَا
تُهَوِّنُ
بِهِ
عَلَیْنَ,
مُصِیبَاتِ
الدُّنْیَا
وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا ,وَأَبْصَارِنَا
وَقُوَّ
تِنَا
مَا
أَحْیَیْتَنَا,
وَاجْعَلْه
الْوَارِثَ
مِنَّا
وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ
ظَلَمَنَا,
وَانْصُرْنَا
عَلَى
مَنْ
عَادَانَا
وَلا
تَجْعَلْ
مُصِیبَتَنَا
فِيدِینِنَا
, وَلا تَجْعَلْ الدُّنْیَا
أَكْبَرَ
هَمِّنَا,
وَلا
مَبْلَغَ
عِلْمِنَا
وَلا
تُسَلِّطْ
عَلَیْنَا
مَنْ
لایَرْحَمُنَا. رَبَّنَا آَتِنَا
فِي
الدُّنْیَا
حَسَنَة
وَفِي
الآَخِرَةِ
حَسَنَة
وَقِنَا
عَذَابَ
النَّارِ .
إِنَّ
اللَّه
یَأْمُرُ
بِالْعَدْلِ
وَالإِحْسَانِ
وَإِیتَاءِ
ذِي
الْقُرْبَى
وَیَنْهَى
عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ وَالْبَغْيِ
یَعِظُكُمْ
لَعَلَّكُمْ
تَذَكَّرُونَ .
২ আল-মুনাফিকূন-০১



No comments:
Post a Comment